নারীদের স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নারীদের স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৪

মেয়েদের প্রদর (Leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদরের কারণ, লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা

মেয়েদের জরায়ু হতে সাদা, হলদে বা দুধের মত এক প্রকার তরলস্রাব নির্গত হয় যাকে প্রদর বা Leucorrhoea বলা হয়। সাধারণত স্রাব শ্বেত বর্ণের হয়ে থাকে বলে ইহাকে শ্বেতপ্রদর বলা হয়ে থাকে । গন্ডমালা ধাতুগ্রস্থ অল্প বয়স্ক বালিকাদের অনেক সময় এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

প্রদরস্রাবের (leucorrhoea) কারণ :- বিভিন্ন কারণে এই রোগটি হতে পারে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব, উপযুক্ত ভালো পরিবেশের অভাব এই রোগের প্রধান কারণ। জনন যন্ত্রে জীবানু দূষণ থেকেও হতে পারে। এই জাতীয় রোগ সাধারণত মনিয়াল বা ট্রিপানোস নামক জীবানু দ্বারা সংঘটিত হয়। গনোরিয়া, সিফিলিস থেকেও ইহা হতে পারে। যোনি ও জরায়ুর প্রাচীর প্রদাহ থেকে হতে পারে। বার বার গর্ভপাত ও ইহার একটি প্রধান কারণ হৃত্পিণ্ড বা ফুসফুসের কোন পীড়ায় যথারীতি রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়ার বাধাগ্রস্থ হওয়া, পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য, অত্যধিক রতিক্রিয়া, হস্তমৈথুন, স্বাস্থের অবনতি, দুর্বলতা, রক্তহীনতা, জরায়ুর স্থানচ্যুতি, অনিয়মিত ঋতু, ক্লোরসিস, স্ক্রুফুলা, টিউবার কিউলেসিস প্রভৃতি রোগ হতে প্রদর (leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদর সৃষ্টি হতে পারে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৃমির জন্য অনেক সময় ছোট ছোট বালিকাদের কখনো কখনো শ্বেতপ্রদরের মত স্রাব হয়।
মেয়েদের প্রদর (Leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদরের কারণ, লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা
প্রদরস্রাবের (leucorrhoea) লক্ষণ:- জরায়ু গ্রীবার অভ্যন্তর ও যোনিপথে যে আবরক ঝিল্লি আছে তা হতে সুস্থাবস্থায় অতি অল্প পরিমানে লালার মত একপ্রকার শ্লেষ্মা নির্গত হয়। জরায়ু গ্রীবা ও যোনিপথের অস্বাভাবিক শুস্কতা নিবারণ করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। কিশোরী বালিকাদের যৌবন আগমনের কালে অথবা যে কোনো রমনীর অন্তসত্বা অবস্থায় এবং নারীদের প্রত্যেক ঋতুর ঠিক পূর্বে এই শ্লেষ্মার পরিমান কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে কিন্তু সে অবস্থায় ইহাকে প্রদর বলে না। যদি কোনো কারণ বশত এই শ্লেষ্মার পরিমান কিছুটা বৃদ্ধি পায় তবেই তা প্রদরের লক্ষণ প্রকাশ করে।

এই রোগের প্রথম অবস্থায়ই হোমিও ট্রিটমেন্ট নেয়া উচিত। আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকাতে অর্থাৎ আমাদের চিকিৎসাধীনে প্রথম পর্যায়ে আসা প্রত্যেক রোগিনীই খুব দ্রুত সুস্থ হয়েছেন। তাই অবহেলা না করে অভিজ্ঞ কোনো হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। তা না হলে ক্রমে জরায়ু হতে অধিক পরিমানে পুঁজের মত স্রাব নিঃসৃত হতে থাকে এবং এইজন্য যোনির অভ্যন্তরে ও যোনি মুখে ক্ষত সৃষ্টি হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথাধরা, পেট ফাঁপা, পরিপাক ক্রিয়ার গোলযোগ এবং মুখমন্ডলে রক্তহীনতার ভাব দেখা দেয়। জরায়ু থেকে অনিয়মিত ভাবে সাদাস্রাব বের হতে থাকে। কখনো বা ঋতু বন্ধ হবার পর সাদাস্রাব শুরু হয় এবং ক্রমাগত চলতে থাকে। মাঝে মাঝে তার সঙ্গে লালচে স্রাব দু'চার ফোটা বের হতে পারে। যদি ঘা সৃষ্টি হয় তবে যোনি চুলকাতে থাকে। এই সমস্যার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ট্রিটমেন্ট রয়েছে একমাত্র হোমিওপ্যাথিতে যা সমস্যাটিকে তার মূল থেকে নির্মূল করে দেয় এবং রোগিনী পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেন।

আধুনিক হোমিওপ্যাথিতে ট্রিটমেন্ট নিতে আসা অধিকাংশ রোগিনিদের বেলায় আমরা দেখেছি এই জাতীয় রোগে আক্রান্ত রোগীর পেতে গোলমাল এবং এসিডিটি থাকে । এছাড়া মাথা ধরা, মাথায় যন্ত্রনা, মাথা বেদনা ইত্যাদি লক্ষণও প্রকাশ পায়। অনেকের ক্ষেত্রেই আমরা দেখেছি উদরাময় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য পর্যায়ক্রমে দেখা দেয়। অনেকের শরীর খুব রোগা হয়ে যায়। তবে অনেক সময় রোগিনী আবার মোটাও হতে পারে। পীড়া আরম্ভো হবার পূর্বে রোগিনীর কোমরে এবং কুচকির স্থানে টেনে ধরার মত বেদনা অনুভূত হয়। তলপেট ভারী, প্রস্রাব অল্প পরিমানে হয়, তলপেটে চাপ দিলে বেদনা বোধ হয়, সামান্য জ্বর জ্বর ভাব থাকে। এই অবস্থা প্রকাশিত হবার ৩/৪ দিন পরেই জরায়ু থেকে যোনিদ্বার দিয়ে এক প্রকার স্রাব নিঃসরণ হতে থাকে। স্রাব প্রথমে তরল, স্বচ্ছ ও আঠার মত চটচটে থাকে। কাপড়ে সাদা সাদা দাগ পড়ে এবং ধীরে ধীরে ঘন পুঁজের মত হয়।

এই রোগ ক্রমশ বৃদ্ধি লাভ করে পুরাতন রূপ ধারণ করে। ইহাতে রোগিনী দীর্ঘদিন পর্যন্ত কস্টভোগ করে। সাথে নানা প্রকার জটিল উপসর্গ প্রকাশ পায়। স্রাব অনেক সময় সবুজ, রক্ত মিশ্রিত, হলদে সবুজ মিশ্রিত, পনিরের মত, দুধের মত এবং কখনো তরল বা কখন ঘন প্রকৃতির হয়ে থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্রাবে যোনিদ্বার হেজে যায়, ঘা হয়, জ্বালা পোড়া করে। ইহা মেয়েদের একপ্রকার বিশ্রী প্রকৃতির রোগ বিশেষ। তাই প্রাথমিক অবস্থাতেই অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে যথাযথ ট্রিটমেন্ট নেয়া উচিত।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের যৌন শীতলতার পেছনে যে কারণ গুলি কাজ করে !

বিয়ের কিছুকাল পর অনেক স্বামীদেরই অভিযোগ করতে দেখা যায় যে, তাদের  স্ত্রী যৌনতার ক্ষেত্রে শীতল আচরণ করেন। এমনিতে খুবই ভালো স্ত্রী ও প্রেমিকা, কিন্তু যৌনতার প্রশ্ন এলেই গুটিয়ে যান। শারীরিক কোন সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও বিছানায় শীতল আচরণ করেন, অনীহা দেখান বা যথেষ্ট সক্রিয় নন। ফলে দাম্পত্যে অশান্তি অবধারিত ভাবেই হচ্ছে। অনেক নারী নিজেও বোঝেন নিজের এই সমস্যাটা, কিন্তু কাকে বলবেন বা কী করবেন, সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না। আমাদের এই ফিচার সেইসব নারীদের জন্য, যারা শারীরিক ভাবে সুস্থ হওয়া সত্ত্বেও শীতল যৌন আচরণ করে থাকেন।
বিস্তারিত

বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৪

সহবাস/যৌন মিলনে রতিসুখে বাধ সাধতে পারে বিরল অ্যালার্জি !

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীর, মন সাড়া দিলেও যৌন মিলনে প্রবল অনীহা সৃষ্টি হয়েছে। অস্বস্তিকর এই পরিস্থিতির পিছনে থাকতে পারে অ্যালার্জির আতঙ্ক। চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীদের মতে, বীর্যের সংস্পর্শে এলে কিছু কিছু মহিলার ত্বকে বিভিন্ন উদ্ভট উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এর ফলে ক্রমে সঙ্গমের নাম শুনলে ভীত হয়ে পড়েন তাঁরা।

মার্কিন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্ড্রু ওয়েইল জানিয়েছেন, শুক্রের সংস্পর্শে এলে কিছু কিছু নারীর ত্বকে উল্লেখজনক পরিবর্তন ঘটে। সংখ্যায় এমন মহিলারা যদিও বিরল, তবু সমস্যাটি জটিল। সম্প্রতি ডক্টর ওয়েইলের কাছে আরেক যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ এমনই এক রোগীকে পাঠান। মহিলার দাবি, প্রণয়ীর সঙ্গে যৌন মিলনের সময় কোনও ভাবে যদি তাঁর ত্বকে বীর্যের ছোঁয়া লাগে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তীব্র চুলকানি, জ্বালা এবং প্রদাহ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়ায় যে ধীরে ধীরে সঙ্গীর যৌন আহ্বানে সাড়া দিতে গেলে রীতিমতো আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এই নারী।
সহবাস/যৌন মিলনে রতিসুখে বাধ সাধতে পারে বিরল অ্যালার্জি !
শুধু এই ক্ষেত্রেই নয়, এ ধরনের আরও কয়েকটি ঘটনার কথা জানতে পেরেছেন বলে দাবি ওয়েইলসের। তিনি জানিয়েছেন, উপরোক্ত সমস্যাগুলি ছাড়াও শুক্রের সংস্পর্শে এলে শ্বাসকষ্ট, যন্ত্রণাময় র‌্যাশের মতো উপসর্গেও ভুগতে পারেন অনেক মহিলা।

বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কিছু দিন আগে মোট ১০৭৩ জন নারীর উপর সমীক্ষা চালানো হয়। দেখা গিয়েছে, এঁদের মধ্যে ১৩ শতাংশের ত্বকে সঙ্গীর দেহ নিসৃত বীর্যবাহিত অতিরিক্ত প্রোটিনের (হিউম্যান সেমিনাল প্লাজমা প্রোটিন) ছোঁয়া লাগে। প্রতিক্রিয়ায় ওই মহিলাদের ত্বকে তৈরি হয় এক বিশেষ অ্যান্টিবডি। সাধারণত বিশেষ এক সঙ্গীর সঙ্গে যৌন মিলনের ফলেই এই উপসর্গ দেখা দেয়। তবে কিছু কিছু মহিলার ক্ষেত্রে একাধিক পুরুষের শয্যাসঙ্গী হয়েও একই সমস্যা সৃষ্টি হয়। তবে চিকিত্‍সকরা জানাচ্ছেন, শরীরে অন্য অ্যালার্জির উপস্থিতি থাকলে এই প্রবণতা বাড়ে।

সমস্যার কারণ :- গবেষকদের বক্তব্য, এই সমস্ত মহিলার ত্বক বীর্যে উপস্থিত হিউম্যান সেমিনাল প্লাজমা প্রোটিনের সংস্পর্শে এলে অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তার ফলেই দেখা দেয় অস্বস্তিকর দৈহিক পরিবর্তন। অনেক সময় সঙ্গীর দেহে উপস্থিত কোনও অ্যালার্জি শুক্রের সাহায্যে নারীদেহে ছড়িয়ে পড়াও অসম্ভব নয় বলে তাঁদের মত। আবার, সঙ্গীর খাদ্যাভ্যাস বা নিয়মিত সেবন করা ওযুধের প্রতিক্রিয়াতেও অনেক সময় অ্যালার্জি সৃষ্টি হতে পারে।

সমস্যার সমাধান :- অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নিন। একই সঙ্গে কন্ডোম ব্যবহার করাও বেশ সুফল দায়ক। তবে কোনো প্রকার অবহেলা না করে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন। চিন্তার কারণ নেই; যথাযথ হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে খুব শিগ্রই এই সমস্যা দূর হয়ে যায়।
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৪

ন্যাপকিন থেকেও হতে পারে নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার!

আধুনিক যুগের কর্মব্যস্ত নারীদের ঋতুস্রাব চলাকালীন সময়গুলোতে তাদের প্রধান সঙ্গী হয়ে ওঠে স্যানিটারি ন্যাপকিন। এই স্যানিটারি ন্যাপকিনই হতে পারে জরায়ু ক্যান্সারের কারণ! বিশ্বব্যাপী ৭৫% নারীই পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে যৌনাঙ্গে চুলকানি, র‍্যাশ ও ব্যথা বোধ করেন। যার জন্য বেশিরভাগই দায়ি থাকে স্যানিটারি ন্যাপকিন।
ন্যাপকিন থেকেও হতে পারে নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার!
আসুন জেনে নেয়া যাক বিজ্ঞানের দৃষ্টি থেকে স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্বাস্থ্যঝুঁকি।
  • ইউএস এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির গবেষণায় পাওয়া গেছে, স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ডাইঅক্সিন (Dioxin) নামক এক ধরণের কেমিকেল। যা সরাসরি ক্যান্সারের জন্যে দায়ী। এছাড়া জরায়ুর নানা ধরনের সংক্রমণের জন্যেও দায়ী থাকে।
  • এই এজেন্সির ১৯৯৬ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিটি স্যানিটারি ন্যাপকিনে ডায়োক্সিন থাকে ৪০০ পিপিটি। এই ডায়োক্সিন সন্তাণ ধারণ ক্ষমতা ও জরায়ুর নানা ধরনের রোগের জন্যও দায়ী।
  • দীর্ঘ সময় ধরে সুরক্ষা দেয় যে ন্যাপকিন গুলো, সেগুলো রক্তকে জেলে পরিণত করে ফেলে। কিন্তু ৫ ঘন্টা পরেই সেখানে ফাঙ্গাস জন্মাতে শুরু করে। আর ত্বকের সংস্পর্শে এসে নানা ধরনের জরায়ুর সংক্রমণ, লাল র‍্যাশ সহ চুলকানী হতে পারে।
  • প্যাডের নিচে থাকা প্লাস্টিকের কারণে রক্ত যেমন বাইরে বের হতে পারে না, তেমনি বাতাস চলাচলেও বাধা পড়ে। ফলে স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় সহজেই ব্যাক্টেরিয়া জন্ম নেয়। এ থেকে সংক্রমণও হতে পারে।
  • প্রস্তুত প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সময়ে নানা কেমিক্যাল ওয়াশের প্রয়োজন হয়। এর ফলে কিছু কেমিকেল রয়েই যায়। যা ত্বকের সংস্পর্শে এলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
যে কোম্পানীর ন্যাপকিনই ব্যবহার করুণ না কেন, চেষ্টা করুন, তা দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করার। ব্যবহারের জন্য তুলোর তৈরি ন্যাপকিন বেছে নিন। যা পাঁচ ঘন্টা পর পর বদলে নেয়া যায়।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের রজঃরোধ (Amenorrhoea) এর কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

রক্তস্রাব আরম্ভ হয়ে কখনো কখনো ইহা বন্ধ হয়ে যায় তখন এরূপ অবস্থাকে রজঃরোধ (Amenorrhoea) বলা হয়। নারীদের কষ্টকর সমস্যা গুলির মধ্যে রজঃরোধ একটি। তাই এর লক্ষণগুলি প্রকাশ পাওয়া মাত্রই হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিয়ে রোগটি নির্মূল করে ফেলা উচিত। তা না হলে অনেক কষ্টকর উপসর্গ সৃষ্টি হয় যা নারীদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই রজঃরোধের কারণ এবং লক্ষণগুলো আগে থেকেই জেনে রাখলে এ বিষয়ে সহজেই সচেতন থাকা যায় আর এই যুগে এটা করা প্রত্যেক নারীদেরই উচিত। তবে আক্রান্ত হলে আধুনিক হোমিওপ্যাথির অভিজ্ঞ ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করে পরামর্শ গ্রহণ করুন।
বিস্তারিত

বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের যোনির বাহিরে আলসার (Vulvar ulcer) যে কারণে হতে পারে !

বিভিন্ন কারণে নারীদের যোনির বাহিরে আলসার (Vulvar ulcer) হয়ে থাকে। কারণের দিক বিবেচনা করে একে দুই ভাগে ভাগ করা যায় যথা - ০১. সেপটিক আলসার ০২. ভেনারেল আলসার । তবে আলসার যে রকমেরই হোক না কেন হোমিও এবং বায়োকেমিকের সমন্বয়ে এর চমত্কার ফলদায়ক ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারগণ।
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের যোনির প্রদাহের (Vaginitis) কারণ, লক্ষণ এবং চিকিত্সা

নারীদের যোনির প্রদাহ (Vaginitis) একটি অতিশয় যন্ত্রনাদায়ক সমস্যা। এই ধরনের সমস্যায় নারীদের যোনি লালবর্ণ, উষ্ণ, স্ফীত এবং বেদনাযুক্ত হয়ে পুঁজ নিঃসৃত হয় এবং প্রস্রাব করার সময় যন্ত্রণা অনুভব হয় তার সাথে যোনিতে চুলকানি দেখা দেয়। যোনিতে বিভিন্ন প্রকার সমস্যা হয়ে থাকে যেমন - যোনি প্রদাহ, যোনির আক্ষেপ, অবরুদ্ধ যোনি, যোনি ভ্রংশ, যোনির চুলকানি ইত্যাদি। বস্তুত এটি এক প্রকার যন্ত্রণাদায়ক বিশ্রী প্রকারের রোগ। তবে যথাযথ হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় এই সংক্রান্ত সমস্যাগুলি অল্প দিনেই নির্মূল হয়ে যায়।
বিস্তারিত