নারীদের স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নারীদের স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৪

মেয়েদের প্রদর (Leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদরের কারণ, লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা

মেয়েদের জরায়ু হতে সাদা, হলদে বা দুধের মত এক প্রকার তরলস্রাব নির্গত হয় যাকে প্রদর বা Leucorrhoea বলা হয়। সাধারণত স্রাব শ্বেত বর্ণের হয়ে থাকে বলে ইহাকে শ্বেতপ্রদর বলা হয়ে থাকে । গন্ডমালা ধাতুগ্রস্থ অল্প বয়স্ক বালিকাদের অনেক সময় এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

প্রদরস্রাবের (leucorrhoea) কারণ :- বিভিন্ন কারণে এই রোগটি হতে পারে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব, উপযুক্ত ভালো পরিবেশের অভাব এই রোগের প্রধান কারণ। জনন যন্ত্রে জীবানু দূষণ থেকেও হতে পারে। এই জাতীয় রোগ সাধারণত মনিয়াল বা ট্রিপানোস নামক জীবানু দ্বারা সংঘটিত হয়। গনোরিয়া, সিফিলিস থেকেও ইহা হতে পারে। যোনি ও জরায়ুর প্রাচীর প্রদাহ থেকে হতে পারে। বার বার গর্ভপাত ও ইহার একটি প্রধান কারণ হৃত্পিণ্ড বা ফুসফুসের কোন পীড়ায় যথারীতি রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়ার বাধাগ্রস্থ হওয়া, পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য, অত্যধিক রতিক্রিয়া, হস্তমৈথুন, স্বাস্থের অবনতি, দুর্বলতা, রক্তহীনতা, জরায়ুর স্থানচ্যুতি, অনিয়মিত ঋতু, ক্লোরসিস, স্ক্রুফুলা, টিউবার কিউলেসিস প্রভৃতি রোগ হতে প্রদর (leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদর সৃষ্টি হতে পারে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৃমির জন্য অনেক সময় ছোট ছোট বালিকাদের কখনো কখনো শ্বেতপ্রদরের মত স্রাব হয়।
মেয়েদের প্রদর (Leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদরের কারণ, লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা
প্রদরস্রাবের (leucorrhoea) লক্ষণ:- জরায়ু গ্রীবার অভ্যন্তর ও যোনিপথে যে আবরক ঝিল্লি আছে তা হতে সুস্থাবস্থায় অতি অল্প পরিমানে লালার মত একপ্রকার শ্লেষ্মা নির্গত হয়। জরায়ু গ্রীবা ও যোনিপথের অস্বাভাবিক শুস্কতা নিবারণ করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। কিশোরী বালিকাদের যৌবন আগমনের কালে অথবা যে কোনো রমনীর অন্তসত্বা অবস্থায় এবং নারীদের প্রত্যেক ঋতুর ঠিক পূর্বে এই শ্লেষ্মার পরিমান কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে কিন্তু সে অবস্থায় ইহাকে প্রদর বলে না। যদি কোনো কারণ বশত এই শ্লেষ্মার পরিমান কিছুটা বৃদ্ধি পায় তবেই তা প্রদরের লক্ষণ প্রকাশ করে।

এই রোগের প্রথম অবস্থায়ই হোমিও ট্রিটমেন্ট নেয়া উচিত। আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকাতে অর্থাৎ আমাদের চিকিৎসাধীনে প্রথম পর্যায়ে আসা প্রত্যেক রোগিনীই খুব দ্রুত সুস্থ হয়েছেন। তাই অবহেলা না করে অভিজ্ঞ কোনো হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। তা না হলে ক্রমে জরায়ু হতে অধিক পরিমানে পুঁজের মত স্রাব নিঃসৃত হতে থাকে এবং এইজন্য যোনির অভ্যন্তরে ও যোনি মুখে ক্ষত সৃষ্টি হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথাধরা, পেট ফাঁপা, পরিপাক ক্রিয়ার গোলযোগ এবং মুখমন্ডলে রক্তহীনতার ভাব দেখা দেয়। জরায়ু থেকে অনিয়মিত ভাবে সাদাস্রাব বের হতে থাকে। কখনো বা ঋতু বন্ধ হবার পর সাদাস্রাব শুরু হয় এবং ক্রমাগত চলতে থাকে। মাঝে মাঝে তার সঙ্গে লালচে স্রাব দু'চার ফোটা বের হতে পারে। যদি ঘা সৃষ্টি হয় তবে যোনি চুলকাতে থাকে। এই সমস্যার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ট্রিটমেন্ট রয়েছে একমাত্র হোমিওপ্যাথিতে যা সমস্যাটিকে তার মূল থেকে নির্মূল করে দেয় এবং রোগিনী পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেন।

আধুনিক হোমিওপ্যাথিতে ট্রিটমেন্ট নিতে আসা অধিকাংশ রোগিনিদের বেলায় আমরা দেখেছি এই জাতীয় রোগে আক্রান্ত রোগীর পেতে গোলমাল এবং এসিডিটি থাকে । এছাড়া মাথা ধরা, মাথায় যন্ত্রনা, মাথা বেদনা ইত্যাদি লক্ষণও প্রকাশ পায়। অনেকের ক্ষেত্রেই আমরা দেখেছি উদরাময় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য পর্যায়ক্রমে দেখা দেয়। অনেকের শরীর খুব রোগা হয়ে যায়। তবে অনেক সময় রোগিনী আবার মোটাও হতে পারে। পীড়া আরম্ভো হবার পূর্বে রোগিনীর কোমরে এবং কুচকির স্থানে টেনে ধরার মত বেদনা অনুভূত হয়। তলপেট ভারী, প্রস্রাব অল্প পরিমানে হয়, তলপেটে চাপ দিলে বেদনা বোধ হয়, সামান্য জ্বর জ্বর ভাব থাকে। এই অবস্থা প্রকাশিত হবার ৩/৪ দিন পরেই জরায়ু থেকে যোনিদ্বার দিয়ে এক প্রকার স্রাব নিঃসরণ হতে থাকে। স্রাব প্রথমে তরল, স্বচ্ছ ও আঠার মত চটচটে থাকে। কাপড়ে সাদা সাদা দাগ পড়ে এবং ধীরে ধীরে ঘন পুঁজের মত হয়।

এই রোগ ক্রমশ বৃদ্ধি লাভ করে পুরাতন রূপ ধারণ করে। ইহাতে রোগিনী দীর্ঘদিন পর্যন্ত কস্টভোগ করে। সাথে নানা প্রকার জটিল উপসর্গ প্রকাশ পায়। স্রাব অনেক সময় সবুজ, রক্ত মিশ্রিত, হলদে সবুজ মিশ্রিত, পনিরের মত, দুধের মত এবং কখনো তরল বা কখন ঘন প্রকৃতির হয়ে থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্রাবে যোনিদ্বার হেজে যায়, ঘা হয়, জ্বালা পোড়া করে। ইহা মেয়েদের একপ্রকার বিশ্রী প্রকৃতির রোগ বিশেষ। তাই প্রাথমিক অবস্থাতেই অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে যথাযথ ট্রিটমেন্ট নেয়া উচিত।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের যৌন শীতলতার পেছনে যে কারণ গুলি কাজ করে !

বিয়ের কিছুকাল পর অনেক স্বামীদেরই অভিযোগ করতে দেখা যায় যে, তাদের  স্ত্রী যৌনতার ক্ষেত্রে শীতল আচরণ করেন। এমনিতে খুবই ভালো স্ত্রী ও প্রেমিকা, কিন্তু যৌনতার প্রশ্ন এলেই গুটিয়ে যান। শারীরিক কোন সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও বিছানায় শীতল আচরণ করেন, অনীহা দেখান বা যথেষ্ট সক্রিয় নন। ফলে দাম্পত্যে অশান্তি অবধারিত ভাবেই হচ্ছে। অনেক নারী নিজেও বোঝেন নিজের এই সমস্যাটা, কিন্তু কাকে বলবেন বা কী করবেন, সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না। আমাদের এই ফিচার সেইসব নারীদের জন্য, যারা শারীরিক ভাবে সুস্থ হওয়া সত্ত্বেও শীতল যৌন আচরণ করে থাকেন।
বিস্তারিত

বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৪

সহবাস/যৌন মিলনে রতিসুখে বাধ সাধতে পারে বিরল অ্যালার্জি !

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, শরীর, মন সাড়া দিলেও যৌন মিলনে প্রবল অনীহা সৃষ্টি হয়েছে। অস্বস্তিকর এই পরিস্থিতির পিছনে থাকতে পারে অ্যালার্জির আতঙ্ক। চিকিত্‍সা বিজ্ঞানীদের মতে, বীর্যের সংস্পর্শে এলে কিছু কিছু মহিলার ত্বকে বিভিন্ন উদ্ভট উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এর ফলে ক্রমে সঙ্গমের নাম শুনলে ভীত হয়ে পড়েন তাঁরা।

মার্কিন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্ড্রু ওয়েইল জানিয়েছেন, শুক্রের সংস্পর্শে এলে কিছু কিছু নারীর ত্বকে উল্লেখজনক পরিবর্তন ঘটে। সংখ্যায় এমন মহিলারা যদিও বিরল, তবু সমস্যাটি জটিল। সম্প্রতি ডক্টর ওয়েইলের কাছে আরেক যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ এমনই এক রোগীকে পাঠান। মহিলার দাবি, প্রণয়ীর সঙ্গে যৌন মিলনের সময় কোনও ভাবে যদি তাঁর ত্বকে বীর্যের ছোঁয়া লাগে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তীব্র চুলকানি, জ্বালা এবং প্রদাহ সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়ায় যে ধীরে ধীরে সঙ্গীর যৌন আহ্বানে সাড়া দিতে গেলে রীতিমতো আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এই নারী।
সহবাস/যৌন মিলনে রতিসুখে বাধ সাধতে পারে বিরল অ্যালার্জি !
শুধু এই ক্ষেত্রেই নয়, এ ধরনের আরও কয়েকটি ঘটনার কথা জানতে পেরেছেন বলে দাবি ওয়েইলসের। তিনি জানিয়েছেন, উপরোক্ত সমস্যাগুলি ছাড়াও শুক্রের সংস্পর্শে এলে শ্বাসকষ্ট, যন্ত্রণাময় র‌্যাশের মতো উপসর্গেও ভুগতে পারেন অনেক মহিলা।

বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কিছু দিন আগে মোট ১০৭৩ জন নারীর উপর সমীক্ষা চালানো হয়। দেখা গিয়েছে, এঁদের মধ্যে ১৩ শতাংশের ত্বকে সঙ্গীর দেহ নিসৃত বীর্যবাহিত অতিরিক্ত প্রোটিনের (হিউম্যান সেমিনাল প্লাজমা প্রোটিন) ছোঁয়া লাগে। প্রতিক্রিয়ায় ওই মহিলাদের ত্বকে তৈরি হয় এক বিশেষ অ্যান্টিবডি। সাধারণত বিশেষ এক সঙ্গীর সঙ্গে যৌন মিলনের ফলেই এই উপসর্গ দেখা দেয়। তবে কিছু কিছু মহিলার ক্ষেত্রে একাধিক পুরুষের শয্যাসঙ্গী হয়েও একই সমস্যা সৃষ্টি হয়। তবে চিকিত্‍সকরা জানাচ্ছেন, শরীরে অন্য অ্যালার্জির উপস্থিতি থাকলে এই প্রবণতা বাড়ে।

সমস্যার কারণ :- গবেষকদের বক্তব্য, এই সমস্ত মহিলার ত্বক বীর্যে উপস্থিত হিউম্যান সেমিনাল প্লাজমা প্রোটিনের সংস্পর্শে এলে অতিমাত্রায় সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তার ফলেই দেখা দেয় অস্বস্তিকর দৈহিক পরিবর্তন। অনেক সময় সঙ্গীর দেহে উপস্থিত কোনও অ্যালার্জি শুক্রের সাহায্যে নারীদেহে ছড়িয়ে পড়াও অসম্ভব নয় বলে তাঁদের মত। আবার, সঙ্গীর খাদ্যাভ্যাস বা নিয়মিত সেবন করা ওযুধের প্রতিক্রিয়াতেও অনেক সময় অ্যালার্জি সৃষ্টি হতে পারে।

সমস্যার সমাধান :- অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নিন। একই সঙ্গে কন্ডোম ব্যবহার করাও বেশ সুফল দায়ক। তবে কোনো প্রকার অবহেলা না করে আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে কথা বলুন। চিন্তার কারণ নেই; যথাযথ হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে খুব শিগ্রই এই সমস্যা দূর হয়ে যায়।
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৪

ন্যাপকিন থেকেও হতে পারে নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার!

আধুনিক যুগের কর্মব্যস্ত নারীদের ঋতুস্রাব চলাকালীন সময়গুলোতে তাদের প্রধান সঙ্গী হয়ে ওঠে স্যানিটারি ন্যাপকিন। এই স্যানিটারি ন্যাপকিনই হতে পারে জরায়ু ক্যান্সারের কারণ! বিশ্বব্যাপী ৭৫% নারীই পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে যৌনাঙ্গে চুলকানি, র‍্যাশ ও ব্যথা বোধ করেন। যার জন্য বেশিরভাগই দায়ি থাকে স্যানিটারি ন্যাপকিন।
ন্যাপকিন থেকেও হতে পারে নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার!
আসুন জেনে নেয়া যাক বিজ্ঞানের দৃষ্টি থেকে স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্বাস্থ্যঝুঁকি।
  • ইউএস এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির গবেষণায় পাওয়া গেছে, স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ডাইঅক্সিন (Dioxin) নামক এক ধরণের কেমিকেল। যা সরাসরি ক্যান্সারের জন্যে দায়ী। এছাড়া জরায়ুর নানা ধরনের সংক্রমণের জন্যেও দায়ী থাকে।
  • এই এজেন্সির ১৯৯৬ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিটি স্যানিটারি ন্যাপকিনে ডায়োক্সিন থাকে ৪০০ পিপিটি। এই ডায়োক্সিন সন্তাণ ধারণ ক্ষমতা ও জরায়ুর নানা ধরনের রোগের জন্যও দায়ী।
  • দীর্ঘ সময় ধরে সুরক্ষা দেয় যে ন্যাপকিন গুলো, সেগুলো রক্তকে জেলে পরিণত করে ফেলে। কিন্তু ৫ ঘন্টা পরেই সেখানে ফাঙ্গাস জন্মাতে শুরু করে। আর ত্বকের সংস্পর্শে এসে নানা ধরনের জরায়ুর সংক্রমণ, লাল র‍্যাশ সহ চুলকানী হতে পারে।
  • প্যাডের নিচে থাকা প্লাস্টিকের কারণে রক্ত যেমন বাইরে বের হতে পারে না, তেমনি বাতাস চলাচলেও বাধা পড়ে। ফলে স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় সহজেই ব্যাক্টেরিয়া জন্ম নেয়। এ থেকে সংক্রমণও হতে পারে।
  • প্রস্তুত প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সময়ে নানা কেমিক্যাল ওয়াশের প্রয়োজন হয়। এর ফলে কিছু কেমিকেল রয়েই যায়। যা ত্বকের সংস্পর্শে এলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
যে কোম্পানীর ন্যাপকিনই ব্যবহার করুণ না কেন, চেষ্টা করুন, তা দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করার। ব্যবহারের জন্য তুলোর তৈরি ন্যাপকিন বেছে নিন। যা পাঁচ ঘন্টা পর পর বদলে নেয়া যায়।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের রজঃরোধ (Amenorrhoea) এর কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

রক্তস্রাব আরম্ভ হয়ে কখনো কখনো ইহা বন্ধ হয়ে যায় তখন এরূপ অবস্থাকে রজঃরোধ (Amenorrhoea) বলা হয়। নারীদের কষ্টকর সমস্যা গুলির মধ্যে রজঃরোধ একটি। তাই এর লক্ষণগুলি প্রকাশ পাওয়া মাত্রই হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিয়ে রোগটি নির্মূল করে ফেলা উচিত। তা না হলে অনেক কষ্টকর উপসর্গ সৃষ্টি হয় যা নারীদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই রজঃরোধের কারণ এবং লক্ষণগুলো আগে থেকেই জেনে রাখলে এ বিষয়ে সহজেই সচেতন থাকা যায় আর এই যুগে এটা করা প্রত্যেক নারীদেরই উচিত। তবে আক্রান্ত হলে আধুনিক হোমিওপ্যাথির অভিজ্ঞ ডাক্তারদের সাথে যোগাযোগ করে পরামর্শ গ্রহণ করুন।
বিস্তারিত

বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের যোনির বাহিরে আলসার (Vulvar ulcer) যে কারণে হতে পারে !

বিভিন্ন কারণে নারীদের যোনির বাহিরে আলসার (Vulvar ulcer) হয়ে থাকে। কারণের দিক বিবেচনা করে একে দুই ভাগে ভাগ করা যায় যথা - ০১. সেপটিক আলসার ০২. ভেনারেল আলসার । তবে আলসার যে রকমেরই হোক না কেন হোমিও এবং বায়োকেমিকের সমন্বয়ে এর চমত্কার ফলদায়ক ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকেন অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারগণ।
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের যোনির প্রদাহের (Vaginitis) কারণ, লক্ষণ এবং চিকিত্সা

নারীদের যোনির প্রদাহ (Vaginitis) একটি অতিশয় যন্ত্রনাদায়ক সমস্যা। এই ধরনের সমস্যায় নারীদের যোনি লালবর্ণ, উষ্ণ, স্ফীত এবং বেদনাযুক্ত হয়ে পুঁজ নিঃসৃত হয় এবং প্রস্রাব করার সময় যন্ত্রণা অনুভব হয় তার সাথে যোনিতে চুলকানি দেখা দেয়। যোনিতে বিভিন্ন প্রকার সমস্যা হয়ে থাকে যেমন - যোনি প্রদাহ, যোনির আক্ষেপ, অবরুদ্ধ যোনি, যোনি ভ্রংশ, যোনির চুলকানি ইত্যাদি। বস্তুত এটি এক প্রকার যন্ত্রণাদায়ক বিশ্রী প্রকারের রোগ। তবে যথাযথ হোমিওপ্যাথি চিকিত্সায় এই সংক্রান্ত সমস্যাগুলি অল্প দিনেই নির্মূল হয়ে যায়।
বিস্তারিত

সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৪

মূত্রনাশ বিকার বা ইউরিমিয়া (Uraemia) নির্মূলে হোমিওপ্যাথি কার্যকর

মূত্রগ্রন্থি দ্বারা যে সকল দূষিত পদার্থ সুস্থাবস্থায় শরীর হতে বের হয়ে থাকে তা যদি মূত্রের সঙ্গে নির্গত না হয়ে রক্তের মধ্যে সঞ্চালিত হয় তবে ইহাকে মূত্রনাশ বিকার বা ইউরিমিয়া (Uraemia or Uremia) বলা হয়। ইহাতে প্রস্রাব বা মূত্র রোধ এবং রক্ত দুষ্টির কতগুলো উপসর্গ ঘটে। এই উপসর্গগুলি ধীরে ধীরে অথবা হঠাৎ আবির্ভূত হতে পারে এবং রোগীকে সংকটজনক অবস্থায় ফেলতে পারে। তাই রোগের উপসর্গ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই রেজিস্টার্ড একজন হোমিও ডাক্তারের শ্মরনাপন্ন হওয়া উচিত।
মূত্রনাশ বিকার বা ইউরিমিয়া (Uraemia) নির্মূলে হোমিওপ্যাথি কার্যকর
এই জাতীয় রোগে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে কতগুলো বিশেষ লক্ষণ প্রকাশ পায় যেমন - মূত্ররোধ, মূত্র সল্পতা, শোথ, বমন, বমন ইচ্ছা, ভয়ংকর মাথার যন্ত্রণা, মাথা ঘোরা, প্রবল আক্ষেপ আবার কখনো বা প্রলাপসহ আচ্ছন্নভাব অচেতন নিদ্রা অর্থাৎ কমা দেখা দেয়। তাই সকল লক্ষণের সাথে শ্বাস কস্ট, নিঃশ্বাসের সঙ্গে হিস হিস শব্দ, শ্বাসে এমোনিয়ার মত গন্ধ প্রভৃতি লক্ষণও বর্তমান থাকে।

কোন কোন ক্ষেত্রে এই রোগের সঙ্গে পরিপাক ক্রিয়ার গোলযোগ থাকতে পারে। বলতে গেলে এটি অতি ভয়ঙ্কর প্রকৃতির রোগ বিশেষ। রোগীর মুখমন্ডল মলিন এবং কমল দেখায়। নাড়ী দ্রুত চলতে থাকে। শরীরের উষ্ণতা প্রথমে বর্ধিত হয় পরে ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়েও কমে যায়। অনেক সময় এটি বিপদজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। তাই যথাসময়ে প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নেয়া জরুরি।
বিস্তারিত

রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের যোনির বহিঃভাগে ক্যান্সার (Vulvar Cancer) - লক্ষণ ও চিকিত্সা

নারীদের যোনির বহিঃভাগে ক্যান্সার (Vulvar Cancer) :- সাধারণত সিফিলিস রোগ হতে এই জাতীয় ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে আবার কোন কোন ক্ষেত্রে ইহার সঠিক কারণ খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে দাড়ায় কারন হঠাৎ যোনি বা লেবিয়া প্রভৃতিতে আক্রমন হয়। লেবিয়া মেজরাতেই আক্রমন বেশি হয়ে থাকে। ইহা অনেক সময় বাইরে থেকে বিস্তার লাভ করে যোনি, মূত্রনালী, জরায়ু প্রভৃতিতে ছড়িয়ে পড়ে। যোনির ভেতর থেকে বা জরায়ু হতেও বিস্তার লাভ করতে পারে।
বিস্তারিত

স্ত্রীলোক ও পুরুষদের কামোন্মাদনা (Nymphomania) - কারণ, লক্ষণ, চিকিত্সা

যৌন বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করার সময় আমরা দেখেছি স্ত্রীলোকের কামোন্মাদনার (Nymphomania) সমস্যাটিকেও অনেক যৌন বিশেষজ্ঞ বেশ গুরুত্বের সাথেই তুলে ধরেছেন। তবে এটি পুরুষদের মধ্যেও দেখা যায়। আধুনিক যৌন বিজ্ঞান ইহাকে একটি বিশেষ রোগ বলে চিহ্নিত করেছে। বাস্তবিকও তাই। "আধুনিক হোমিওপ্যাথি ঢাকা" তে বেশ কয়েকজন রোগিনীকে সফল হোমিও চিকিত্সা দিয়ে আমরা আরোগ্যও করছি। কিন্তু একটি বিষয় লিক্ষনীয় যে, এই রোগটির প্রতি অনেক ডাক্তারই ততটা মনোযোগ দেন না। দেশের প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথ এবং "আধুনিক হোমিওপ্যাথি ঢাকা" এর চিকিৎসক ডাক্তার হাসান তার কেইস স্টাডিতে বলেন, স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে সমস্যাটির পেছনে রোগিনীর বেশ কিছু শারীরিক কারণও বিদ্যমান থাকে। তাই সেদিকে যথাযথ দৃষ্টি রেখে রোগিনীর চিকিৎসা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন - প্রপার ট্রিটমেন্ট করা না হলে এর ফলে কিছু দূরারোগ্য ব্যাধিরও সৃষ্টি হতে পারে।
বিস্তারিত

বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের জরায়ুর ক্যান্সারের (Uterine Cancer) কার্যকর এবং আরোগ্যকারী চিকিৎসা রয়েছে।

আজকাল জরায়ু ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত নারীদের সংখ্যা অধিকতর বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেখা গেছে রোগীদের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ সারভিকের ক্যান্সার, ৩০-৩৫ ভাগ জরায়ুর ক্যান্সার এবং বাকি গুলি সারকোমা। সারকোমার চেয়ে ক্যান্সার এত বেশি হয় যে জরায়ুতে Malignant growth হলেই ভয়ের কারণ হয়ে দাড়ায়। প্রথম দিকে লক্ষণ তেমন প্রকাশ পেলেও অতি সামান্য। পরবর্তীকালে রোগ বৃদ্ধির সঙ্গে পেটের আকার বড় হয় এবং ঋতু বন্ধ হয়ে যায়। দূর্বলতা এবং জ্বর বৃদ্ধি পায়। কোমরে, পেতে ব্যথা হয়। কখনো জরায়ু বেঁকে পেটের দিকে ঠেলে যেতে পারে।

সাধারণভাবে বলা হয়ে থাকে, ৩০ শতাংশ নারী জরায়ু মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। পৃথিবীতে ক্যান্সারে যত মহিলার মৃত্যু হয়, তার এক-তৃতীয়াংশের ক্ষেত্রেই ঘাতক হল জরায়ু মুখের ক্যান্সার। প্রতি দিন অন্তত ২০০ মহিলার মৃত্যু হচ্ছে এই অসুখে। প্রতি ঘণ্টায় মারা যাচ্ছেন অন্তত আট জন। বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তারপরও মনে করা হয়, দেশে মোট ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীর মধ্যে ২২ থেকে ২৯ শতাংশই জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। আলোচনার শুরুতেই বলে নেয়া ভাল যে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন, নারীর জরায়ু আবরণীর কোষগুলোতে বিভিন্ন পরিবর্তন ঘটে এবং এ সব পরিবর্তন ধীরে ধীরে ক্যান্সারে রূপ নিতে অনেক সময় ১০-১৫ বছর পর্যন্তও লেগে যায়। তাই প্রাথমিক অবস্থায় এ রোগটি চিহ্নিত করা সম্ভব হলে খুব সহজেই হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে রোগটি সারিয়ে তোলা সম্ভব।
 নারীদের জরায়ুর ক্যান্সারের কার্যকর এবং আরোগ্যকারী চিকিৎসা রয়েছে।
জরায়ুর ক্যান্সার দু'ধরণের। এক ধরণের ক্যান্সার জরায়ুর মুখে হয় আরেক জাতের ক্যান্সার হয় জরায়ুর ভেতরে । মেয়েরা ভিন্ন দুটি বয়সে জরায়ুর দুই ধরণের ক্যান্সারের শিকারে পরিণত হয়। আর এ কারণেই জরায়ুর ক্যান্সারকে দুই ভাবে ভাগ করা হয়। এ ছাড়া এই দুই ক্যান্সারের উপসর্গ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্ন। সাধারণভাবে জরায়ুর মুখের ক্যান্সার তুলনামূলকভাবে অল্প বয়সে এবং জরায়ুর ভেতরে যে ক্যান্সার তা বেশী বয়সে হয়। বহুল প্রচলিত একটি কথা হলো, ক্যান্সার নো এ্যান্সার। আসলে যে কোনো ক্যান্সার দেহে ছড়িয়ে পড়লে তার হাত থেকে নিস্কৃতি পাওয়া খুবই কষ্টকর । তবে জরায়ু-মুখের ক্যান্সার নিয়ে একটু ব্যতিক্রম আছে। কারণ এই ক্যান্সারকে সূচনাতেই শনাক্ত করা সম্ভব। আর সূচনাতে শনাক্ত করা গেলে সঠিক হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগকে পুরোপুরি সারিয়ে তোলা যায় ।

অন্যদিকে জরায়ুর ভেতরে যে ক্যান্সার হয় তা মহিলাদের বেশি বয়সে দেখা দেয়। এ ছাড়া এ রোগ শনাক্ত করাও সহজ নয়। সব মিলিয়ে যদি এ রোগ যখন ধরা পড়ে তখন দেখা যায় এরই মধ্যে রোগটি দেহে ছড়িয়ে পড়ছে। মাথা ব্যাথার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অনেকেই মাথা কেটে ফেলার কথা বলেন। মাথা কাটা তো কোনোভাবেই সম্ভব না। তবে এখানে এ কথাটি টেনে আনার কারণটা হলো, জরায়ু কেটে ফেলা হলে জরায়ুর ক্যান্সারের প্রকোপ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হতে পারে বলে অনেকেই মনে করেন। তবে মনে রাখতে হবে, একটি বিশেষ বয়সের পর নারীর সন্তান ধারণের ক্ষমতা আর থাকে না। এটি সাধারণ ভাবে ৪৫ থেকে ৫০ বছরের হয়ে থাকে। কিন্তু জরায়ুর মুখের ক্যান্সার এই বয়সে পৌঁছানোর আগেই দেখা দেয়। তাই হোমিওপ্যাথি হলো এই রোগের উত্কৃষ্ট চিকিত্সা। 

যে সব মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে হয় বা যাদের ঘন ঘন সন্তান হয় তাদের মধ্যে জরায়ুর ক্যান্সার বেশি হয়। অন্যদিকে পাশ্চাত্যে নারীদের অধিকা হারে সঙ্গী থাকার কারণে এই ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আংশকা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে জরায়ুর মুখে ক্যান্সারের প্রকোপ খুব বেশি হলেও জরায়ুর ভেতরের ক্যান্সারের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে কম। এই ক্যান্সার সাধারণভাবে একটি বিশেষ বয়সের পরে দেখা দেয়। এ কারণে আগে ভাগে জরায়ু ফেলে দিয়ে এই রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা ভাবা হয়ত ঠিক হবে না।

জরায়ুর মুখের ক্যান্সারে প্রথম দিকে তেমন কোনা উপসর্গ থাকে না। কিন্তু এই রোগ একটু ছড়িয়ে পড়লে তখন কিছু কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে জরায়ু মুখের ক্যান্সার নির্ণয়ের সেরা পদ্ধতি হলো প্যাপ টেস্ট। জরায়ুর মুখের লালা নিয়ে এই পরীক্ষা করা হয় এবং এটি অতি সাধারণ একটি পরীক্ষা। ২০ বছরের পর প্রতিটি মেয়ের এই পরীক্ষা নিয়মিত করানো উচিত। যদি কোনো মেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিতভাবে, অর্থাৎ তিন বা ৫ বছর অন্তর অন্তর এই পরীক্ষা করান তবে তার জরায়ুর মুখে ক্যান্সার সূচনাতেই ধরা পড়বে। প্রাথমিকভাবে এ রোগের কোনো উপসর্গই আর সুচনাতেই ধরা পড়লে চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ থেকে মু্ক্তি পাওয়া সম্ভব। 

এ ছাড়া জরায়ু ক্যান্সারের টিকা বের হয়েছে-যা ২০ থেকে ২২ বছরের মধ্যে নিয়ে নেয়া যায়। তবে এ টিকা পাশ্চাত্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে তার ব্যাপক প্রচলন ঘটে নি। অন্যদিকে জরায়ুর ভেতরের ক্যান্সার নারীর বেশি বয়সে হয়। সাধারণভাবে সন্তান ধারণের বয়স পার হওয়ার পর এই ক্যান্সার দেখা দেয়। এই ক্যান্সারের অন্যতম উপসর্গ হলো, বয়সের কারণে যে নারীর পিরিয়ড বা মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে। তা আবার দেখা দেয়। কিংবা নির্দিষ্ট বয়সের পরে যাদের পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার কথা তা বন্ধ না হয়ে বরং নিয়মিত বা অনিয়মিতভাবে তা চলতে পারে। এ রকম কোনো উপসর্গ দেখা দেয়া মাত্র চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

কার্যকর এবং আরোগ্যকারী চিকিৎসা:- একটি বিষয় নিশ্চিত করে আমরা বলতে পারি যে, জরায়ুর মুখের ক্যান্সারের প্রকোপ এখন অনেক বেশী এবং এ রোগ সূচনাতেই ধরা পড়লে তা প্রপার হোমিও চিকিৎসার মাধ্যমে খুব দ্রুত সারিয়ে তোলা যায়। আর এ রোগ হয়েছে কিনা সেটি নির্ণয় করা মোটেও কষ্টসাধ্য বা ব্যয় বহুল নয়। তাই সবাই এ রোগের ব্যাপারে সচেতন হোন এবং এই রোগ নির্মূলের জন্য রেজিস্টার্ড একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা নিন,কারণ একমাত্র হোমিও চিকিৎসা বিজ্ঞানেই এর সবচেয়ে কার্যকর ট্রিটমেন্ট রয়েছে। 
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৪

শয্যামূত্র বা অসাড়ে মূত্রত্যাগ (Enuresis) - কারণ এবং প্রতিকার

শয্যামূত্র বা অসাড়ে মূত্রত্যাগ (Enuresis) সাধারনত শিশুদের রোগ তবে অনেক সময় বড়দের এবং বৃদ্ধদেরও এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে মূত্রথলির দূর্বলতা পক্ষাঘাত বশত মূত্রধারণ ক্ষমতা সম্পূর্ণ বা আংশিক ভাবে লোপ পায়। শিশুরা ঘমন্ত অবস্থায় মূত্রত্যাগ করে।

সাধারণত মূত্রথলির গায়ের পেশী সংকোচন বশত মূত্রবেগ হয় এবং ঠিক সেই মুহূর্তেই সূক্ষ স্নাযুক্রিয়ার ফলে মূত্রথলির গ্রীবায় অবস্থিত দ্বাররক্ষী সংকোচন পেশীর প্রসারণ ঘটে এবং মূত্রত্যাগ ক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হয়। কিন্তু এই সহযোগিতা জন্মাতে শিশুদের ক্ষেত্রে কিছু দিন দেরী হয় এবং ততদিন বিছানায় প্রস্রাব করে। অনেকে ইহাকে শয্যামূত্র নামেও অবহিত করে থাকেন।
শয্যামূত্র বা অসাড়ে মূত্রত্যাগ কারণ এবং প্রতিকার
পেটে কৃমি থাকা, মুত্রাশয়ের উত্তেজনা, মুত্রাশয়ের পাথরী এবং মূত্রযন্ত্রের নানা প্রকার রোগের কারণে ইহা দেখা দিতে পারে। এই রোগের বিভিন্ন লক্ষণ প্রকাশ পায় যেমন - রোগীর ইচ্ছানুসারে মূত্রত্যাগ হয় না। কখনো মুত্রাশয়ের মূত্র সঞ্চয় হলে ফোটা ফোটা মূত্রত্যাগ হয় আবার কখনো মূত্রের বেগ এত বেশি হয় যে মূত্রবেগ সম্বরণ করতে পারে না। 

রাত্রে কখনো কখনো বিছানায় প্রস্রাব করে। শিশুদের এবং বৃদ্ধদের এই রোগ বেশি হতে দেখা যায় আবার পুরুষ অপেক্ষা স্ত্রীলোকদের বেশি হয়। রোগী মনে করে যে বাইরে এসে প্রস্রাব করছে কিন্তু সে ঐ সময় নিদ্রাবস্থায় বিছানায় প্রস্রাব করে। এই সকল লক্ষণ প্রায়ই প্রকাশ পায়। দেখা যায় অনেক কিশোর এবং তরুনরাও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যায় যথাযথ হোমিও চিকিৎসা নেয়া উচিত।
বিস্তারিত

নারীদের বহিঃজননেন্দ্রিয়ে চুলকানির (Pruritus Vulvae) কারণসমূহ

দেখা যায় নারীদের শরীর দুর্বল হয়ে পড়লে যোনির বহির্ভাগে নানা প্রকার ফুসকুড়ি জন্মে এবং তাতে অতি কষ্টকর চুলকানি সৃষ্টি হয়। ইহাকে যোনির চুলকানি (Vulval Itch) বলা হয়ে থাকে। অনেক সময় এই চুলকানি অত্যন্ত বিরক্তিকর হয়ে উঠে এবং রোগিনী অস্থির হয়ে তীব্র অস্বস্থি বোধ করে থাকে।
বিস্তারিত

সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের যোনি সংকোচন (Vaginismus) এবং হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা

কোন কোন যুবতীর যোনিদ্বার সংকীর্ণ থাকায় আবরক ঝিল্লির (Hymen) অনুভব শক্তির আতিশয্য হেতু যোনির চারিদিকে পেশির হঠাৎ সংকোচন ঘটে থাকে, যাকে যোনি সংকোচন অথবা যোনির আক্ষেপ বলা হয় । এই প্রকার সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের সচরাচর দেখা যায়।
বিস্তারিত

নারীদের ডিম্বাশয়ের প্রদাহ (Ovaritis) - কারণ, লক্ষণ ও চিকিত্সা

নারীদের ডিম্বাশয়ে কোন জীবানুর ইনফেকশন হলে বা কোন ক্ষত সৃষ্টি হলে যে রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায় তাকে ডিম্বাশয়ের প্রদাহ বলা হয়। ডিম্বাশয়ের প্রদাহের ফলে বেশ কিছু জটিল উপসর্গ সৃষ্টি হয় যা নারীদের জীবনকে বিষিয়ে তুলে। তাই এই সমস্যার কারণ এবং লক্ষণগুলি জেনে রাখলে অন্তত এই রোগের প্রতিরোধে নারীরা কার্যকর পদক্ষেপ রাখতে পারবে। আসুন জেনে নেই নারীদের ডিম্বাশয়ের প্রদাহের কারণ, লক্ষণ এবং আক্রান্ত হলে করণীয় বিষয় সম্পর্কে।

নারীদের ডিম্বাশয়ের প্রদাহের কারণ

বিভিন্ন কারণে ডিম্বাশয়ের প্রদাহ হতে পারে যথা - প্রচন্ড ঠান্ডা লাগা, ঋতুকালীন সহবাস করা, পায়ের পাতা জলে ভেজান, কোন রকম আঘাত লাগা, হস্তমৈথুন ইত্যাদি কারণে হতে পারে। নানা প্রকার জীবানু ডিম্বনালী দিয়ে সোজা গিয়ে ডিম্বাশয়কে আক্রমন করতে পারে। এছাড়া পেটের অন্যান্য যন্ত্রাদির ইনফেকশন হতেও এই রোগের উদ্ভব হতে পারে।
নারীদের ডিম্বাশয়ের প্রদাহ (Ovaritis) - কারণ, লক্ষণ ও চিকিত্সা
অনেক সময় ঋতু কালে নোংরা কাপড় চোপর ব্যবহার করার ফলে বীজাণুর সংক্রমণ ঘটতে পারে। এই জাতীয় বীজাণু জরায়ু ডিম্বনালী ও ডিম্বকোষ প্রভৃতি আক্রমন করে প্রদাহের সৃষ্টি করতে পারে। ষ্টাফাইলো ষ্টেপটো, বিকোলাই প্রভৃতি বীজাণু দ্বারা এই রোগ বিস্তার লাভ করে। অনেক সময় যক্ষারোগ থেকে ইহার সৃষ্টি হতে পারে। গনোরিয়া, সিফিলিস প্রভৃতির জীবাণু ডিম্বনালী অতিক্রম করে ডিম্বাশয় আক্রমন করতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে মূত্রথলি, পেরিটোনিয়াম, অন্ত্র, লিভার প্রভৃতি স্থানে জীবাণু দূষণ ফোড়া থেকেও ডিম্বাশয়ের প্রদাহ হতে পারে তবে ইহা অতি কম ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে।

নারীদের ডিম্বাশয়ের প্রদাহের লক্ষণ

ডিম্বাশয় প্রদাহ রোগে আক্রান্ত রোগিনীর মধ্যে বিশেষ কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় যথা - কখনো ঋতুস্রাব বৃদ্ধি পায় কখনো হ্রাস পায়। মাথার যন্ত্রণা, মাথাধরা, মাথাঘোরা প্রভৃতি লক্ষণ দেখা যায়। পেটে প্রচন্ড ব্যথা থাকে এবং সেটা পিঠে এবং কোমরে ছড়িয়ে পড়ে। ডিম্বাশয় আকারে বৃদ্ধি পায়। Bi-manual পরীক্ষা করলে ইহা বুঝা যায়। অনেক সময় সারা দেহে প্রচন্ড ব্যথা এবং তার সাথে জ্বর থাকে। কখনো জ্বরের প্রবলতার জন্য বমি, প্রলাপ, মূর্চ্ছা প্রভৃতি হয়ে থাকে।

কখনো ঋতুর পর সাদাস্রাব চলতে থাকে, ফোটা ফোটা স্রাব দীর্ঘদিন ধরে চলে এবং রোগিনী এর জন্য কষ্ট পেয়ে থাকে। কখনো বা স্রাব বন্ধ হয়ে ৮/১০ দিন পর আবার হতে থাকে, স্রাব অত্যন্ত দুর্গন্ধ প্রকৃতির হয়ে থাকে, কোন কোন সময় স্রাবের সঙ্গে থান থান কালো বর্ণের রক্ত টুকরো দেখা দেয়। এই রোগে বেশি দিন ভুগলে বন্ধাত্ব লক্ষণ দেখা দিতে পারে এবং সেপটিক হতে পারে। তাই রোগাক্রমনের শুরুতেই প্রপার হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা নিতে হবে। তাতে শুরুতেই রোগটি সমূলে দূর হয়ে যাবে এবং কোন প্রকার জটিলতার দিকে এগুবে না। 

এই রোগের ক্ষেত্রে কুচকির উপর বেদনা ও জ্বালা ভাব থাকে। ডিম্বকোষ স্ফীত হয়ে এমন প্রদাহ হতে পারে যে রোগিনী ঐ স্থানে হাত দিতে ভয় পায় বা স্পর্শ কাতর হয়। স্নায়ুবিক লক্ষণ প্রকাশ পায়। বস্তুত ইহা নারীদের একটি মারাত্মক প্রকৃতির রোগ। তাই কোন প্রকার অবহেলা না করে অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে যথাযথ চিকিত্সা নেয়া উচিত।
বিস্তারিত

নারীদের জরায়ুর প্রদাহ (Uterine Inflammation) - কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

নারীদের জরায়ু সংক্রান্ত নানা প্রকার রোগ-ব্যাধির মধ্যে ইনফেকশন বা প্রদাহের সমস্যা অন্যতম। বাংলাদেশ তথ্য সমগ্র বিশ্বে নারীরা এই সমস্যায় অধিক হারে আক্রান্ত হয়ে থাকে। দেখা গেছে কিছুটা সচেতন জীবন যাপন করলে জরায়ুর প্রদাহের সমস্যা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যায়। আর তার জন্য এটি হওয়ার জন্য দায়ী কারণসমূহ এবং প্রকাশিত লক্ষণগুলি সম্পর্কে সুস্পস্ট ধারণা থাকা জরুরি। সাথে সাথে আক্রান্ত হলে প্রাথমিক অবস্থাতেই একজন রেজিস্টার্ড ও অভিজ্ঞ হোমিও ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এবার আসুন নারীদের জরায়ু প্রদাহের (Uterine Inflammation) কারণ এবং প্রকাশিত উপসর্গগুলি সম্পর্কে জেনে নেই।
বিস্তারিত

রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৪

নারীদের ঋতুস্রাবে স্যানিটারি ন্যাপকিনের সঠিক ব্যবহার

আগেকার দিনের নারীরা তাদের পিরিয়ড কালীন সময়ে ঘরের মাঝেই আবদ্ধ হয়ে থাকতেন যাতে কোনভাবে রক্তপাত দৃশ্যমান হলে তাদেরকে কোন প্রকার লোকলজ্জার পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয়। আজকের আধুনিক জীবনে নারীদের একটি বড় সুবিধা করে দিয়েছে স্যানিটারি ন্যাপকিন। কিন্তু এর আছে বেশ কিছু স্বাস্থ্য ঝুকিও! সঠিক স্যানিটারি ন্যাপকিন নির্বাচন এবং ব্যবহার করতে না পারলে এটা হয়ে ওঠে জরায়ু ও মুত্রথলির সংক্রমণসহ নানা প্রকারের ক্যান্সারের কারণ।
বিস্তারিত

নারীদের ডিম্বনালীর প্রদাহ (Salpingitis) - কারণ, লক্ষণ ও চিকিত্সা

নারীদের ডিম্বনালীতে অনেক সময় জীবানুর Infection থেকে প্রদাহ হয়, এই জাতীয় প্রদাহকে ডিম্বনালীর প্রদাহ বা সালফিন জাইটিস বলে। বিভিন্ন কারণে নারীদের ডিম্বনালীতে এই জাতীয় প্রদাহ হতে পারে।
বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৪

নারীদের জরায়ু নেমে আসার (Prolapsed Uterus) কারণ, লক্ষণ এবং চিকিত্সা

নারীদের জরায়ু সংক্রান্ত রোগসমূহের মধ্যে "জরায়ু নেমে আসার" সমস্যাটি অন্যতম । দেখা যায়, এই রোগটি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একটি বা একাধিক সন্তান জন্মের জন্য হয়ে থাকে । এক্ষেত্রে জরায়ু প্রায় সবটাই যোনির মধ্যে ঝুলে পড়ে । বাইমেনুয়াল পরীক্ষাতে একটি আঙ্গুল প্রবেশ করালেই এই রোগ অনেকটা বুঝতে পারা যায় । এই রোগের নিশ্চিত আরোগ্যকারী চিকিত্সা রয়েছে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সা বিজ্ঞানে।
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৪

গর্ভপাতের (Abortion) কারণ এবং লক্ষণগুলি কি কি ?

গর্ভপাত (Abortion) :- গর্ভের অপূর্ণ অবস্থায় ভ্রুণ বের হলে তাকে গর্ভপাত বলা হয়ে থাকে। যদি ভ্রুণ সাত মাস পর বের হয় তবে অনেক ক্ষেত্রে শিশু জীবত থাকে। একবার গর্ভস্রাব হলে পরবর্তী গর্ভেও গর্ভপাত হতে পারে। যে মাসে গর্ভস্রাব হয় সে সময় আসলে রোগীকে বিশেষ ভাবে সাবধানে থাকতে হয়। সাধারণত তৃতীয় মাসে, কখনো বা তার পূর্বে বা পরে গর্ভপাত হতে পারে। নারীর গর্ভ সঞ্চারের পর ভ্রুণটি জরায়ুতে ২৮০ দিন অর্থাৎ ৯ মাস ১০ দিন ধরে গঠিত হয়, তারপর শিশুর জন্ম হয়। ঠিক পূর্ণভাবে ভ্রুণ গঠিত না হয়ে তার আগেই যদি তা গর্ভ থেকে নির্গত হয় তবে তা বাঁচে না।
বিস্তারিত