নারীদের মাসিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নারীদের মাসিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৪

মেয়েদের প্রদর (Leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদরের কারণ, লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা

মেয়েদের জরায়ু হতে সাদা, হলদে বা দুধের মত এক প্রকার তরলস্রাব নির্গত হয় যাকে প্রদর বা Leucorrhoea বলা হয়। সাধারণত স্রাব শ্বেত বর্ণের হয়ে থাকে বলে ইহাকে শ্বেতপ্রদর বলা হয়ে থাকে । গন্ডমালা ধাতুগ্রস্থ অল্প বয়স্ক বালিকাদের অনেক সময় এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

প্রদরস্রাবের (leucorrhoea) কারণ :- বিভিন্ন কারণে এই রোগটি হতে পারে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব, উপযুক্ত ভালো পরিবেশের অভাব এই রোগের প্রধান কারণ। জনন যন্ত্রে জীবানু দূষণ থেকেও হতে পারে। এই জাতীয় রোগ সাধারণত মনিয়াল বা ট্রিপানোস নামক জীবানু দ্বারা সংঘটিত হয়। গনোরিয়া, সিফিলিস থেকেও ইহা হতে পারে। যোনি ও জরায়ুর প্রাচীর প্রদাহ থেকে হতে পারে। বার বার গর্ভপাত ও ইহার একটি প্রধান কারণ হৃত্পিণ্ড বা ফুসফুসের কোন পীড়ায় যথারীতি রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়ার বাধাগ্রস্থ হওয়া, পুরাতন কোষ্ঠকাঠিন্য, অত্যধিক রতিক্রিয়া, হস্তমৈথুন, স্বাস্থের অবনতি, দুর্বলতা, রক্তহীনতা, জরায়ুর স্থানচ্যুতি, অনিয়মিত ঋতু, ক্লোরসিস, স্ক্রুফুলা, টিউবার কিউলেসিস প্রভৃতি রোগ হতে প্রদর (leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদর সৃষ্টি হতে পারে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৃমির জন্য অনেক সময় ছোট ছোট বালিকাদের কখনো কখনো শ্বেতপ্রদরের মত স্রাব হয়।
মেয়েদের প্রদর (Leucorrhoea) বা শ্বেতপ্রদরের কারণ, লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা
প্রদরস্রাবের (leucorrhoea) লক্ষণ:- জরায়ু গ্রীবার অভ্যন্তর ও যোনিপথে যে আবরক ঝিল্লি আছে তা হতে সুস্থাবস্থায় অতি অল্প পরিমানে লালার মত একপ্রকার শ্লেষ্মা নির্গত হয়। জরায়ু গ্রীবা ও যোনিপথের অস্বাভাবিক শুস্কতা নিবারণ করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য। কিশোরী বালিকাদের যৌবন আগমনের কালে অথবা যে কোনো রমনীর অন্তসত্বা অবস্থায় এবং নারীদের প্রত্যেক ঋতুর ঠিক পূর্বে এই শ্লেষ্মার পরিমান কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে কিন্তু সে অবস্থায় ইহাকে প্রদর বলে না। যদি কোনো কারণ বশত এই শ্লেষ্মার পরিমান কিছুটা বৃদ্ধি পায় তবেই তা প্রদরের লক্ষণ প্রকাশ করে।

এই রোগের প্রথম অবস্থায়ই হোমিও ট্রিটমেন্ট নেয়া উচিত। আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকাতে অর্থাৎ আমাদের চিকিৎসাধীনে প্রথম পর্যায়ে আসা প্রত্যেক রোগিনীই খুব দ্রুত সুস্থ হয়েছেন। তাই অবহেলা না করে অভিজ্ঞ কোনো হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। তা না হলে ক্রমে জরায়ু হতে অধিক পরিমানে পুঁজের মত স্রাব নিঃসৃত হতে থাকে এবং এইজন্য যোনির অভ্যন্তরে ও যোনি মুখে ক্ষত সৃষ্টি হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য, মাথাধরা, পেট ফাঁপা, পরিপাক ক্রিয়ার গোলযোগ এবং মুখমন্ডলে রক্তহীনতার ভাব দেখা দেয়। জরায়ু থেকে অনিয়মিত ভাবে সাদাস্রাব বের হতে থাকে। কখনো বা ঋতু বন্ধ হবার পর সাদাস্রাব শুরু হয় এবং ক্রমাগত চলতে থাকে। মাঝে মাঝে তার সঙ্গে লালচে স্রাব দু'চার ফোটা বের হতে পারে। যদি ঘা সৃষ্টি হয় তবে যোনি চুলকাতে থাকে। এই সমস্যার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ট্রিটমেন্ট রয়েছে একমাত্র হোমিওপ্যাথিতে যা সমস্যাটিকে তার মূল থেকে নির্মূল করে দেয় এবং রোগিনী পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেন।

আধুনিক হোমিওপ্যাথিতে ট্রিটমেন্ট নিতে আসা অধিকাংশ রোগিনিদের বেলায় আমরা দেখেছি এই জাতীয় রোগে আক্রান্ত রোগীর পেতে গোলমাল এবং এসিডিটি থাকে । এছাড়া মাথা ধরা, মাথায় যন্ত্রনা, মাথা বেদনা ইত্যাদি লক্ষণও প্রকাশ পায়। অনেকের ক্ষেত্রেই আমরা দেখেছি উদরাময় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য পর্যায়ক্রমে দেখা দেয়। অনেকের শরীর খুব রোগা হয়ে যায়। তবে অনেক সময় রোগিনী আবার মোটাও হতে পারে। পীড়া আরম্ভো হবার পূর্বে রোগিনীর কোমরে এবং কুচকির স্থানে টেনে ধরার মত বেদনা অনুভূত হয়। তলপেট ভারী, প্রস্রাব অল্প পরিমানে হয়, তলপেটে চাপ দিলে বেদনা বোধ হয়, সামান্য জ্বর জ্বর ভাব থাকে। এই অবস্থা প্রকাশিত হবার ৩/৪ দিন পরেই জরায়ু থেকে যোনিদ্বার দিয়ে এক প্রকার স্রাব নিঃসরণ হতে থাকে। স্রাব প্রথমে তরল, স্বচ্ছ ও আঠার মত চটচটে থাকে। কাপড়ে সাদা সাদা দাগ পড়ে এবং ধীরে ধীরে ঘন পুঁজের মত হয়।

এই রোগ ক্রমশ বৃদ্ধি লাভ করে পুরাতন রূপ ধারণ করে। ইহাতে রোগিনী দীর্ঘদিন পর্যন্ত কস্টভোগ করে। সাথে নানা প্রকার জটিল উপসর্গ প্রকাশ পায়। স্রাব অনেক সময় সবুজ, রক্ত মিশ্রিত, হলদে সবুজ মিশ্রিত, পনিরের মত, দুধের মত এবং কখনো তরল বা কখন ঘন প্রকৃতির হয়ে থাকে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্রাবে যোনিদ্বার হেজে যায়, ঘা হয়, জ্বালা পোড়া করে। ইহা মেয়েদের একপ্রকার বিশ্রী প্রকৃতির রোগ বিশেষ। তাই প্রাথমিক অবস্থাতেই অভিজ্ঞ কোন হোমিও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে যথাযথ ট্রিটমেন্ট নেয়া উচিত।
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৪

ন্যাপকিন থেকেও হতে পারে নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার!

আধুনিক যুগের কর্মব্যস্ত নারীদের ঋতুস্রাব চলাকালীন সময়গুলোতে তাদের প্রধান সঙ্গী হয়ে ওঠে স্যানিটারি ন্যাপকিন। এই স্যানিটারি ন্যাপকিনই হতে পারে জরায়ু ক্যান্সারের কারণ! বিশ্বব্যাপী ৭৫% নারীই পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে যৌনাঙ্গে চুলকানি, র‍্যাশ ও ব্যথা বোধ করেন। যার জন্য বেশিরভাগই দায়ি থাকে স্যানিটারি ন্যাপকিন।
ন্যাপকিন থেকেও হতে পারে নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার!
আসুন জেনে নেয়া যাক বিজ্ঞানের দৃষ্টি থেকে স্যানিটারি ন্যাপকিনের স্বাস্থ্যঝুঁকি।
  • ইউএস এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির গবেষণায় পাওয়া গেছে, স্যানিটারি ন্যাপকিন তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ডাইঅক্সিন (Dioxin) নামক এক ধরণের কেমিকেল। যা সরাসরি ক্যান্সারের জন্যে দায়ী। এছাড়া জরায়ুর নানা ধরনের সংক্রমণের জন্যেও দায়ী থাকে।
  • এই এজেন্সির ১৯৯৬ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিটি স্যানিটারি ন্যাপকিনে ডায়োক্সিন থাকে ৪০০ পিপিটি। এই ডায়োক্সিন সন্তাণ ধারণ ক্ষমতা ও জরায়ুর নানা ধরনের রোগের জন্যও দায়ী।
  • দীর্ঘ সময় ধরে সুরক্ষা দেয় যে ন্যাপকিন গুলো, সেগুলো রক্তকে জেলে পরিণত করে ফেলে। কিন্তু ৫ ঘন্টা পরেই সেখানে ফাঙ্গাস জন্মাতে শুরু করে। আর ত্বকের সংস্পর্শে এসে নানা ধরনের জরায়ুর সংক্রমণ, লাল র‍্যাশ সহ চুলকানী হতে পারে।
  • প্যাডের নিচে থাকা প্লাস্টিকের কারণে রক্ত যেমন বাইরে বের হতে পারে না, তেমনি বাতাস চলাচলেও বাধা পড়ে। ফলে স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় সহজেই ব্যাক্টেরিয়া জন্ম নেয়। এ থেকে সংক্রমণও হতে পারে।
  • প্রস্তুত প্রক্রিয়ার বিভিন্ন সময়ে নানা কেমিক্যাল ওয়াশের প্রয়োজন হয়। এর ফলে কিছু কেমিকেল রয়েই যায়। যা ত্বকের সংস্পর্শে এলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
যে কোম্পানীর ন্যাপকিনই ব্যবহার করুণ না কেন, চেষ্টা করুন, তা দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করার। ব্যবহারের জন্য তুলোর তৈরি ন্যাপকিন বেছে নিন। যা পাঁচ ঘন্টা পর পর বদলে নেয়া যায়।
বিস্তারিত

রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৪

নারীদের অতিরজ - এপিমেনোরিয়ার (Epimenorrhea) কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

নারীদের এপিমেনোরিয়া (Epimenorrhea) :- নারীদের একটি মাসিক ঋতু আরম্ভ হবার পর দীর্ঘ সময় ধরে বা অতিরিক্ত সময় ধরে স্রাব চলতে থাকার নামই হলো এপিমেনোরিয়া। অনেক সময় চিকিত্সকগণও মেনোরেজিয়ার সঙ্গে একে ভুল করে বসেন। কারণ মেনোরেজিয়ার ক্ষেত্রে রক্তস্রাব বেশি হয় কিন্তু এপিমেনোরিয়ার ক্ষেত্রে রক্তস্রাব বেশি হয় না তবে দীর্ঘ সময় ধরে চলে। যদিও বাংলায় আমরা উভয়টাকেই অতিরজ বলে অভিহিত করে থাকি। তবে মূল পার্থক্যটুকু স্মরণ রেখে হোমিওপ্যাথি চিকিত্সকদের ট্রিটমেন্ট দেয়া উচিত। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমানে রক্তস্রাব দীর্ঘ সময় ধরে চলে এবং এই সকল ক্ষেত্রে প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট এর প্রয়োজন নতুবা রোগীর জীবন সংশয় দেখা দিতে পারে। এ সকল ক্ষেত্রে অতি দ্রুত রক্তহীনতার লক্ষণ দেখা দেয়।
বিস্তারিত

শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৪

নারীদের রজ নিবৃত্তি বা মেনোপজ (Menopause) ও এর লক্ষণসমূহ

নারীদের রজ নিবৃত্তি বা মেনোপজ :- নারীদের অধিক বয়স হলে ঋতুস্রাব কমে আসে এবং ধীরে ধীরে একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থা সাধারনত ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে হয়ে থাকে, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে কিছু পূর্বে বা কিছু পরেও ঘটতে পারে। এইরূপ অবস্থাকে ঋতুস্রাব নিবৃত্তি বা মেনোপজ বলে। এই অবস্থায় জরায়ুর আকার ছোট হয়ে যায়, যোনিদেশ সংকোচিত হয় এবং দুর্বলতার লক্ষণ বাড়ে।
বিস্তারিত

শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৪

নারীদের অতিরজ মেট্রোরেজিয়া (Metrorrhagia) - কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

অতিরজ বা মেট্রোরেজিয়া (Metrorrhagia) :- নারীদের মেট্রোরেজিয়া এবং মেনোরেজিয়ার মধ্যে বিশেষ পার্থক্য আছে। কিন্তু বাংলায় ইহাদের অর্থ হলো অতিরজ। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে মেট্রোরেজিয়া এবং মেনোরেজিয়ার মধ্যে লক্ষণগত পার্থক্য বিদ্যমান। নারীদের যখন ঠিক নিয়মিত সময়ে মাসিক ঋতুস্রাব হয় এবং অধিক পরিমানে স্রাব হয় তখন তাকে মেনোরেজিয়া বলা হয়। আবার যখন নিয়মিত মাসান্তে অর্থাৎ ২৮ দিন অন্তর ঋতু স্রাব না হয়ে অন্য সময় বেশি পরিমানে বা অন্য কোন কারণে অধিক পরিমানে জননেদ্রিয় হতে রক্ত স্রাব হয় তখন তাকে মেট্রোরেজিয়া বলে।
বিস্তারিত

নারীদের অনিয়মিত ঋতুস্রাব (Irregular menstruation) - কারণ, লক্ষণ ও কার্যকর চিকিৎসা

নারীদের অনিয়মিত ঋতু :- নারীদের প্রতি ২৮ দিনে জরায়ুদ্বার দিয়ে সামান্য কালো লাল বর্ণের পাতলা স্রাব হয়। সাধারণত ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত স্রাব বর্তমান থাকে। স্রাবের স্বাভাবিক পরিমান থাকতে হবে। খুব বেশিও নয় আবার অতি সামান্যও নয়। এই সকল নিয়মের ব্যতিক্রম হলেই অনিয়মিত ঋতুদোষ বলে বিবেচিত হয়ে থাকে। ঋতু সংক্রান্ত বিষয়টি আবার দৈহিক গঠনের সাথেও সম্পর্কিত।
বিস্তারিত

বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৪

নারীদের গোপন ঋতুস্রাবের (Cryptomenorrhoea) কারণ, লক্ষণ ও চিকিত্সা

নারীদের গোপন ঋতুস্রাব (Cryptomenorrhoea) :- সাধারণত প্রতি ২৮ দিনে স্ত্রীলোকের ঋতুস্রাব হয়ে থাকে। ইহার ব্যতিক্রম ঘটলে নানাবিধ রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়। অনেক সময় নারীদের ঋতুস্রাব হয় কিন্তু তা এত সামান্য এবং কিঞ্চিতকর যে নির্ণয় করা কঠিন হয়ে যায়। এই প্রকারের ঋতুস্রাবকে গোপন ঋতুস্রাব বা Hidden Menstruation বা Cryptomenorrhoea বলা হয়।
বিস্তারিত

নারীদের ফোটা ফোটা স্রাব (Oligomenorrhea) এর কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

নারীদের ফোটা ফোটা স্রাব (Oligomenorrhea) :- সময়ে সময়ে নারীদের ঋতুস্রাবে নানা প্রকার অনিয়ম ভাব পরিলক্ষিত হয়। অনেক সময় এই ঋতুস্রাব নির্দিষ্ঠ সময়ে না হয়ে অনিয়মিত ভাবে ফোটা ফোটা পড়তে থাকে। এই জাতীয় লক্ষণযুক্ত পীড়াকে অলিগোমেনেরিয়া বলা হয়ে থাকে। 
বিস্তারিত

নারীদের ঋতু (Menstruation) চলাকালে ঋতুতে বিলম্ব হওয়ার কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

নারীদের ঋতু (Menstruation) চলাকালে ঋতুতে বিলম্ব হওয়ার কারণ :- নারীদের ডিম্বকোষ হতে দু'প্রকার রস নিঃসরণ হয়। প্রথমটির সাহায্যে ডিম্বকোষ থেকে ডিম্ব বের হয়ে Fallopian tube এর সাহায্যে জরায়ুতে আসে ইহাকে বহিঃ নিঃসরণ বলা হয়ে থাকে। আর অপরটি হলো অন্তনিঃসরণ। এর সাহায্যে সন্তান উত্পাদন সংক্রান্ত সমস্ত যন্ত্রবৃদ্ধি ও পরিপুষ্টি লাভ করে থাকে এবং এর অভাব ঘটলে প্রজনন যন্ত্রসমূহের পুষ্টির অভাব, রজ প্রকাশে বিলম্ব বা সম্পূর্ণ রজরোধ ও প্রজনন ক্ষমতা লোপ ইত্যাদি উপসর্গ উপস্থিত হয়। আবার অনেক সময় স্নায়ুবিক দুর্বলতা, দীর্ঘকাল কোন পীড়ায় ভোগে শারীরিক দুর্বলতা, রক্তহীনতা বশত এবং যোনি মুখ আবরক ঝিল্লি-ছিন্ন না হওয়াতে রজ প্রকাশে বিলম্ব ঘটতে পারে।
বিস্তারিত

মেয়েদের প্রথম ঋতুস্রাবের শুরুতে বিলম্বের (Delayed Menstruation) কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা

রজস্রাবে বিলম্ব (Delayed Menstruation) :- নারীদের রজস্রাবে সাধারণত দুই ভাবে বিলম্ব দেখা দেয়। প্রথমত: নারী যে বয়সে ঋতুবতী হবার কথা সেই বয়সে হয় না। সাধারণত গ্রীষ্মপ্রধান দেশে ১৪/১৫ বয়সে নারী ঋতুবতী হয়ে থাকে। যদি তা না হয়, তবে তাকে প্রথম রজস্রাবের শুরুতে বিলম্ব বলা হয়। এ ছাড়া দ্বিতীয়তো: ঋতুস্রাব চলাকালে, ঋতুর শুরুতে বিলম্ব হয়ে থাকে। প্রতি ২৮ দিন পরপর নারীর ঋতুস্রাব হওয়ার কথা, তা না হয়ে ৩০/৪০ দিন পরে আবার কখনো বা এক মাস বন্ধ থেকে পরের মাসে ঋতু হয়ে থাকে। তাই মোটামুটি ভাবে ইহাকে  দু'ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :
বিস্তারিত

রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৩

অবিবাহিত মেয়েদের শ্বেত প্রদর, রক্ত প্রদর নির্মূলে হোমিওপ্যাথি

আজ দুই বছর আগের একটা গল্প শোনাব আপনাদের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসে গ্রাম থেকে আমার এক আত্মীয়া । বয়স ১৮ এর কিছু বেশি হবে । সে আসার পর তার মা আমাকে বিস্তারিত ফোন করে জানায় । দুর্দান্ত কষ্টকর প্রদরে আক্রান্ত । যাই হোক তাকে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে লজ্জায় বলতে চায় না । তার পর আমি কয়েকটি প্রশ্ন করলে সে আমাকে কাগজে লিখে বিস্তারিত জানায় । আপনাদের বুঝার সুবিধার জন্য আমি হুবহু তার লেখাটি নিচে লিখলাম :
বিস্তারিত

মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৩

কি কি কারণে মেয়েদের পিরিয়ড (Periods) অনিয়মিত হতে পারে ?

মহিলাদের জীবনে দু’তিনটি পর্বে পিরিয়ড অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে মেনাকি বা মেন্সট্রুয়েশন শুরুর সময়ে । তখন ওভারি ততটা পরিপকস্ফ হয়ে ওঠে না বলে তার পূর্ণ কর্মক্ষমতা দেখা যায় না । খেয়াল করলে দেখবেন ডেলিভারির পর ৩-৪ মাস পিরিয়ড একটু অনিয়মিত থাকে, তবে সন্তানকে ব্রেস্ট ফিডিং করালে এ পর্বটা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে । আর এ তো সবারই জানা যে মধ্য বা শেষ-চল্লিশে ওভারি প্যাক আপ করার জন্য তৈরি হয় ।
বিস্তারিত

মহিলাদের ঋতুচক্র ও প্রজনন সম্পর্কে কিছু বাস্তব ধারণা

চোখের সামনেই একটি ছোট মেয়ে ধীরে ধীরে মহিলা হয়ে উঠছে। এর লক্ষণ যেমন স্তন বড় হওয়া বা বগলে ও যৌনাঙ্গে কেশ জন্মানো, তেমনই একটি সমসাময়িক ঘটনা হচ্ছে তার ঋতুমতী হওয়া বা তার মাসিক ঋতুস্রাব শুরু হওয়া। অনেক সময়ই সাধারণ ভাষায় এই অবস্থাকে 'শরীর খারাপ' এমনকি 'অশুচি' ইত্যাদি অবৈজ্ঞানিক আখ্যা দেওয়া হয়। আসলে এটি অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি শারীরিক প্রক্রিয়া, যা না ঘটলে অস্বাভাবিক মনে করতে হবে।
বিস্তারিত

মাসিকের সময় নারীদের তলপেটে ব্যথায় ঘরোয়া সমাধান

নারীদের মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা একটা সাধারণ ব্যাপারই বলতে হয়। কিন্তু একটু সচেতন থাকলে এই ব্যথা এড়িয়ে চলা সম্ভব। এর রয়েছে কিছু ঘরোয়া সমাধান যা ডাক্তারের কাছে না গিয়েও প্রাথমিক পর্যায়ে যে কেউ নিজেই সারিয়ে তুলতে পারেন। এবার আসুন এ রকম কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নিই।
বিস্তারিত

রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৩

নারীর মধ্য বয়সের সমস্যা - রজ নিবৃত্তি বা মেনোপজে করণীয়সমূহ

জীবন তার আপন গতিতেই বয়ে চলে। জীবনের নিজস্ব ধারায় মানুষ শৈশব থেকে কৈশোর, কৈশোর থেকে যৌবন এবং যৌবন থেকে মধ্যবয়স এবং মধ্যবয়স থেকে বাধর্ক্যের দিগন্ত রেখা ছুয়ে যেতে হয়। জীবনের এই প্রতিটি প্রান্তে এসে দেহে মনে নানা পরিবর্তন দেখা দেয়।
বিস্তারিত

বিভিন্ন অবস্থায় মহিলাদের মাসিকের সমস্যা ও সমাধান

একজন নারী কৈশোর থেকে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠার জন্য শরীরের ভেতরে ও বাইরে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সের মেয়েদের বিভিন্ন রকম পরিবর্তন হয়। অনেক পরিবর্তনের অন্যতম একটি হলো রজঃস্রাব, যা সাধারণত মাসে মাসে হয় - তাই এটাকে মাসিক বা পিরিয়ড অথবা সাইকেলও বলা হয়। সাধারণত এটা তিন থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়। এ মাসিকই আবার অনেক সময় দুই বা তিন অথবা চার মাস পরপর হয়।
বিস্তারিত

নারীদের রজঃনিবৃত্তিকালে করণীয়

একথা প্রায় সবারই জানা যে, রজঃনিবৃত্তি নারীদের জীবনচক্রের একটি অপরিহার্য পর্যায়। নারীদের ওভারি পরিপূর্ণভাবে কাজ করে মোটামুটি ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সসীমার মধ্যেই। তখন তাদের মাসিক ঋতুচক্র শুরু হয়। এ সময় মেয়েদের ওভারির মধ্যে ছোট ছোট ফলিকল থাকে। এদের মাঝে থাকে ওভাম। আর ডিম্বাণু ক্রমেই বড় হতে থাকে।
বিস্তারিত

সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০১৩

নারীদের লিউকোরিয়া বা সাদা স্রাবের হোমিও চিকিত্সা

লিউকোরিয়া হচ্ছে নারীদের একপ্রকার সাদা স্রাব জনিত সমস্যা। নারীর যোনি থেকে ক্রমাগত সাদা তরলের ক্ষরণ হলে তাকে লিউকোরিয়া বলা হয়। আমাদের দেশে গ্রামাঞ্চলের নারীদের এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায় বেশি। শুধু তাই নয় এই বিষয়ে তারা নানা প্রকার কুসংস্কারে বিশ্বাসী হয়ে রোগটি বছরের পর বছর নিজেদের মধ্যে পুষে রাখে। আমাদের অনেক শহুরে নারীদের মধ্যেও তা দেখা যায়। সমস্যাটি আবার কখনো কখনো বেশ কম বয়সী মেয়েদেরও আক্রান্ত করে বসে। কিন্তু যথাযথ হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলে কিছু দিনের মধ্যেই তা দূর হয়ে যায়। 
বিস্তারিত

রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০১৩

মহিলাদের ঋতুস্রাব সম্পর্কিত সমস্যাবলী নিরাময়ে হোমিওপ্যাথি

নারীদের বেশ কয়েক রকমের ঋতুস্রাবের অনিয়মিততা হয়, অল্প সময়ের সাধারণ ঋতুস্রাবের সমস্যা থেকে শুরু করে আরো দীর্ঘ সময়ের ঋতুস্রাবের সমস্যার জন্য গুরুতর অসুস্থতারও সৃষ্টি হয়ে থাকে । নিচে ঋতুস্রাবের অনিয়মিততা সম্পর্কে বিশদ আলোকপাত করা হলো যা আপনাকে বিভিন্ন ঋতুস্রাব চক্রে অনিয়মিততার মাত্রা চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে।
বিস্তারিত